বৃহস্পতিবার, ১৩ Jun ২০২৪, ০৮:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম ১০দফা দাবিতে চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতির স্মারকলিপি প্রদান সোনাইমুড়ী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জায়গা দখল নিতে হামলা, নারীসহ ৫ জন আহত হারানো বিজ্ঞপ্তি চমেক হাসপাতালে জরুরী বিভাগে টিকিটে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ দরবারে মূসাবীয়ার ৭৭ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ অনুষ্ঠিত আনোয়ারায় মাজার মসজিদের  জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইউসেপ স্কুলে নবীন বরন ও এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের জয় ডাক্তার সেজে আইসিইউতে ল্যাব টেকনিশিয়ান বাকলিয়া থানার বিশেষ অভিযানে মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

ওএমএসের চাল কিনতে রাতভর অপেক্ষা

দিনাজপুর প্রতিনিধি
শনিবার রাত তখন সোয়া ১১টা। দিনাজপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ নম্বর ব্লকের চকোলেট ফ্যাক্টরির মোড়ে তিন শতাধিক নারী-পুরুষের জটলা। জায়গাটিতে খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ওপেন মার্কেট সেলের (ওএমএস) চাল-আটা বিক্রির দোকান। বিক্রি শুরু হবে পরদিন সকাল ৯টায়।

বিজ্ঞাপন
কিন্তু পণ্যের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা বিপুল হওয়ায় বেশির ভাগ মানুষকেই খালি হাতে ফিরতে হয়। তাই আগের দিন রাত থেকেই সারিতে দাঁড়িয়ে ক্রেতাদের এই অপেক্ষা।

আঁখি বেগম ওই অপেক্ষমাণ মানুষের একজন। ওএমএস দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন তিনিও। এই প্রতিবেদককে তিনি জানান, রাত ৯টার দিকে সারিতে দাঁড়িয়েছেন তিনি। সারিতে তাঁর সামনে দাঁড়ায় ১৩ জন। রাতভর অপেক্ষার পরও তিনি জানেন না চাল-আটা কোনোটাই পাবেন কি না। পরদিন অর্থাৎ গতকাল রবিবার সকাল ১১টায় আঁখি বেগমের সঙ্গে আবারও কথা হয় এ প্রতিবেদকের। এ সময় তিনি জানান, কিছুক্ষণ আগেই তিনি ওএমএসের পাঁচ কেজি চাল পেয়েছেন ১৫০ টাকায়। আর পাঁচ কেজির আটার প্যাকেট পেয়েছেন ৯০ টাকায়। তিনি জানান, বাজার থেকে পাঁচ কেজি চাল ২৬০ টাকা, আর পাঁচ কেজি আটা কিনতে হয় ৩২০ টাকায়।

এ সময় শমসের আলী নামের এক ব্যক্তি জানান, তিনি ফজরের নামাজ আদায় করে সারিতে দাঁড়িয়েছিলেন।

কিন্তু সামনের অপেক্ষমাণ মানুষের পর ডিলারের কাছে পৌঁছার আগেই চাল-আটা শেষ হয়ে গেছে। তাই তিনি চাল-আটা না নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন।

শমসের আলীর মতো খালি হাতে ফিরে যাওয়া এমন মানুষের সংখ্যা বহু। এমনকি আগের দিন রাতে সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার পরও পরদিন চাল-আটা না পাওয়া মানুষের সংখ্যাও কম নয় বলে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. কামাল হোসেন বলেন, দিনাজপুর পৌসভার ১২টি ওয়ার্ডে ১২ জন ডিলারের মাধ্যমে ওএমএসের চাল-আটা সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ডিলার অনিয়ম করায় তাঁর ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে পণ্য বিক্রি বন্ধ রয়েছে। নতুন ডিলার নিয়োগ হয়েছে। খুব শিগগির তাঁর মাধ্যমে চাল-আটা পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক ডিলারকে এক টন করে আটা ও এক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় সপ্তাহে পাঁচ দিন। তবে এটি চাহিদার তুলনায় কম। আমরা দিনাজপুর শহরে ডিলার বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। নতুন ডিলার নিয়োগ হলে সংকট কেটে যাবে। ’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত