শনিবার, ১৫ Jun ২০২৪, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম ১০দফা দাবিতে চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতির স্মারকলিপি প্রদান সোনাইমুড়ী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জায়গা দখল নিতে হামলা, নারীসহ ৫ জন আহত হারানো বিজ্ঞপ্তি চমেক হাসপাতালে জরুরী বিভাগে টিকিটে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ দরবারে মূসাবীয়ার ৭৭ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ অনুষ্ঠিত আনোয়ারায় মাজার মসজিদের  জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইউসেপ স্কুলে নবীন বরন ও এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের জয় ডাক্তার সেজে আইসিইউতে ল্যাব টেকনিশিয়ান বাকলিয়া থানার বিশেষ অভিযানে মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ায় পরিত্যক্ত সরকারি আবাসিক ভবন গুলো হয়ে উঠেছে মাদক সেবীদের নিরাপদ আস্তানা

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া সরকারি ডি-টাইপ কোয়ার্টারের চারটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে রাতের অন্ধ কারে চুরি হয়ে যাচ্ছে সরকারি সম্পদ। আর এই ভবন গুলোতে প্রতিদিন মাদক সেবন সহ চলছে নানা ধরনের অপরাধ মুলক কর্মকান্ড। পরিত্যক্ত ভবন গুলো গণপূর্ত বিভাগের অধিনে থাকলেও জনবল সংকটের কারনে দেখভাল করতে পারছে না তারা। তবে প্রশাসন বলছে রাত্রে আলোর ব্যবস্থা করা হলে বন্ধ হতে পারে এধরনের অপরাধ মুলক কার্যক্রম।

দেখে বোঝার উপায় নেই এটি সরকারি ডি-টাইপ কোয়ার্টার, এক যুগেরেও বেশি সময় ধরে পড়ে আছে এই চারটি ভবন। ভবন গুলো পরিত্যক্ত হওয়ার পর থেকেই এই দূর অবস্থা। দিনের পর দিন বিভিন্ন অপকর্ম সহ মাদক সেবিদের জন্য নিরাপদ স্থান হয়ে পরেছে এটি।

২০১২ সাল থেকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অস্থায়ী ছাত্রী নিবাস ছিলো এই পরিত্যক্ত ভবন। ২০২২ সালের মার্চ থেকে ছাত্রী নিবাসটি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের নতুন ভবনে হস্তান্তর হয়। এর পর সরকারি এই ভবন গুলো দেখভালের অভাবে হয়ে পরে অরক্ষিত। যার ফলে ভবন গুলো চলে যায় মাদক সেবিদের দখলে ।

যে কারণে সেখানকার দরজা, জানালা, বিদ্যুতের মিটার, তার, পানির পাম্পসহ সরকারি এসব আসবা পত্র রাতের অন্ধ কারে চুরি হয়ে যাচ্ছে। তবে স্থানীয়রা বলছে কর্তৃপক্ষ এখনি এর কোনো ব্যবস্থা না নিলে এই ভবন গুলোতে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা বলছে কুষ্টিয়া শহরের প্রাণ কেন্দ্রের সরকারী এই জায়গা গুলি এখন মাদক সেবন কারি, সন্ত্রাসী এবং অসামাজিক কার্যকলাপের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। বিভিন্ন সময় এই পরিত্যক্ত ভবন গুলোতে যাতায়াত রয়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের। রাতের অন্ধকারে সরকারি মূল্যবান সম্পদ চুরি হওয়ার বিষয়টি পণপুর্ত বিভাগকে জানিয়েও কোন লাভ হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের। এছাড়াও এই পরিত্যক্ত ভবনের ভিতরে যাতায়াত রয়েছে কিশোর গ্যাং এর ছেলেদের। এ গুলো দেখলে নষ্ট হতে পারে এখানে খেলা ধুলা করতে আসা যুবক ও শিশুরা। তাদেরও পরিনত হতে পারে খারাপ অভ্যাসের

স্থানীয়রা আরো বলেন
জীবনে অনেক কষ্ট, সেই কষ্ট গুলো ভুলে থাকার জন্য অনেকেই এই নেশার জগৎকে বেছে নিয়েছেন। আবার বন্ধুদের সাথে মিশে এই নেশা জগতে চলে এসেছেন কেও কেও। তবে তারা এখন নেশা জগত থেকে ফিরতে চাই ভালোর পথে।

বিল্ডিংয়ে কেয়ার টেগার, নিরাপত্তা কর্মি বা আলোর ব্যবস্থা যদি না থাকে সেই জায়গা গুলো মাদক সেবিদের জন্য নিরাপদ স্থান হয়। আলোর ব্যবস্থা রাখার জন্য গণপূর্ত বিভাগ কে বলার পরেও এখনো কোন ব্যবস্থা নেইনি কর্তৃপক্ষ। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে টহল জোড়দার করা হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা পলাশ কান্তি নাথ(অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)।

আর সব কিছু প্রশাসনের উপর চাপিয়ে দায় সারা বক্তব্য গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর।

তবে এখনি কার্যকর কোন ভুমিকা না নিলে যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত