বৃহস্পতিবার, ১৩ Jun ২০২৪, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম ১০দফা দাবিতে চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতির স্মারকলিপি প্রদান সোনাইমুড়ী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জায়গা দখল নিতে হামলা, নারীসহ ৫ জন আহত হারানো বিজ্ঞপ্তি চমেক হাসপাতালে জরুরী বিভাগে টিকিটে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ দরবারে মূসাবীয়ার ৭৭ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ অনুষ্ঠিত আনোয়ারায় মাজার মসজিদের  জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইউসেপ স্কুলে নবীন বরন ও এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের জয় ডাক্তার সেজে আইসিইউতে ল্যাব টেকনিশিয়ান বাকলিয়া থানার বিশেষ অভিযানে মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই সাপে কাটার অ্যান্টিভেনম

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া বিষধর সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই মানুষ সাপের কামরে আক্রান্ত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে অ্যান্টিভেনম না থাকায় সাপে কাটা রোগীর একমাত্র ভরসা কুষ্টিয়া ২৫০ বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। তবে এক মাসের বেশি সময় সেই হাসপাতালেও কোনো অ্যান্টিভেনম (প্রতিষেধক) নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট কুষ্টিয়ার সদরের কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন ভবানীপুর গ্রামের ইব্রাহিমের স্ত্রী আয়েশা খাতুন ও তার সাত মাস বয়সি কণ্যা সন্তান নুসরাত জাহান কে বিষাক্ত কালাচ সাপে কামড় দেয়।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়, আয়েশাকে ভর্তি করা হয় কুষ্টিয়া জেনারেলের হাসপাতালে। হাসপাতালে প্রতিষেধক টিকা(অ্যান্টিভেনম) না থাকায় আয়েশার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর থেকে আতঙ্কিত স্থানীয়রা মা-মেয়ে ছাড়াও চলতি মাসে সাপের কামরে মারা যান জেলার কুমারখালী শিলাইদহের মাঝগ্রামের নববধূ মিতু ও দৌলতপুর রামকৃষ্ণপুরের মোহাম্মদপুরের বুলবুল বিশ্বাস। গত ১৮আগস্ট খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচ নারি পুরুষ সাপের কামরে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে।

গত জুন মাস থেকে কুষ্টিয়া জেনারেলের হাসপাতালে অ্যান্টিভেনমের সরবরাহ নেই। বিষাক্ত রাসেল ভাইপারসহ গোখরা সাপের কামরে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে বেশি আসছে।

জেলার উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে অ্যান্টিভেনম না থাকায় সাপে কাটা রোগীদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সেখানেও জুন মাসের পর থেকে রয়েছে প্রতিষেধক সংকট ।

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তাপস কুমার সরকার বলেন, হাসপাতালে থাকা অ্যান্টিভেনম বেশ কিছুদিন আগে ফুরিয়ে গেছে। চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে, এখনো সরবরাহ পায়নি। মুলত ভারত থেকে আমাদের দেশে অ্যান্টিভেনম আসে। সম্প্রতি সে দেশেও অ্যান্টিভেনমের চাহিদা বেড়ে গেছে। তাই বিলম্ব হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সাপের কামরে যত মানুষ মারা যায় তার চেয়ে বেসি মানুষ মারা যায় কামর খেয়ে আতঙ্কিত হওয়ার ফলে। সাপে কামরানো জায়গা তৎক্ষনাৎ পরিস্কার ব্যান্ডেজ বা সুতি কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে,যাতে ধুলাবালি না লাগে। সাপে কাটলে এক সেকেন্ড সময় নষ্ট না করে উচিত রোগীকে সোজা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা.আনোয়ারুল ইসলাম বলেব, বিষধর সাপের কামরের প্রতিষেধক টিকার চাহিদা কুষ্টিয়ায় ২০০ ডোজ। চাহিদা পত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে প্রতিষেধক টিকা আসতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত