সোমবার, ২৪ Jun ২০২৪, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম ১০দফা দাবিতে চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতির স্মারকলিপি প্রদান সোনাইমুড়ী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জায়গা দখল নিতে হামলা, নারীসহ ৫ জন আহত হারানো বিজ্ঞপ্তি চমেক হাসপাতালে জরুরী বিভাগে টিকিটে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ দরবারে মূসাবীয়ার ৭৭ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ অনুষ্ঠিত আনোয়ারায় মাজার মসজিদের  জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইউসেপ স্কুলে নবীন বরন ও এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের জয় ডাক্তার সেজে আইসিইউতে ল্যাব টেকনিশিয়ান বাকলিয়া থানার বিশেষ অভিযানে মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান ও তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া যায়।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ইং তারিখে বিচার চেয়ে ফটিকছড়ি থানায় অভিযুক্ত আওয়ামীলীগ নেতা মামুনুর রহমান এবং তার তিনজন ব্যবসায়িক পার্টনার যথাক্রমে শেখ সালেহীন আহমেদ রুবেল, জামাল নাসের ও আনোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে
লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

 

অভিযোগকারী ফটিকছড়ি উপজেলার পাইনদং দক্ষিণ গ্রামের ওসমান গনির ছেলে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন,

জি আর ট্রেডার্স নামে একটি আমদানি রফতানি প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা করে আসছি। গত২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে জি আর ট্রেডার্স এবং মামুনুর রহমান গংদের মাঝে চাইনিজ ফ্যাব্রিক সরবরাহের চুক্তি হয়।
সেই চুক্তি অনুযায়ী গত ২০ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে জি আর ট্রেডার্সের মালিক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন চায়না থেকে আমদানিকৃত ফ্যাব্রিক বুজিয়ে দেন মামুনুর রহমান এবং তার তিন ব্যাবসায়িক পার্টনারকে।
সরবরাহকৃত ফ্যাব্রিক বুজিয়ে দেয়ার পরও মামুনুর রহমান গং টাকা দিতে গড়িমসি করে। সেইসাথে তারা ফ্যাব্রিকের মান ভালোনা বলে অভিযোগ করে। পরবর্তীতে মামুনুর রহমান তিন লক্ষ টাকা পরিশোধ করে এবং বাকি ০৭ লক্ষ দিবেনা বলে জানায়।

অনেকবার টাকা পরিশোধ করার জন্য বলা হলেও দীর্ঘ দিন মামুনুর রহমান তা পরিশোধ করেননি।
পুনরায় পাওনা পরিশোধের অনুরোধ করেন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।
পরবর্তীতে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এই বিষয়টি নিয়ে থানায় যান জিডি করার জন্য কিন্তু মামুনুর রহমান প্রভাবশালী নেতা হওয়ার কারণে থানা থেকে মামলা নেয়া হয়নি।
অতঃপর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আদালতে মামলা করেন মামুনুর রহমান গংয়ের বিরুদ্ধে।
মামলা করার পরপরই মামুনুর রহমান তার লোকজন দিয়ে মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে তার অফিস থেকে তুলে নিয়ে যান এবং দুই দিন আটকে রেখে মারধর করে।
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরো জানান, মামুনুর রহমান গং ২০২২ এ সংঘটিত কামাল হত্যা মামলায় তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়। মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আদালতে মামলা করার কারণে মামুনুর রহমান আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থি হিসেবে অযৌগ্য বিবেচিত হন এবং সেই কারণে মামুনুর রহমান আরো ক্ষিপ্ত হন।
এই বিষয়ে মামুনুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এসব ঘটনা অস্বীকার করেন। তবে স্বীকার করেন ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথা, সেই সাথে বলেন সব টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত